December 2, 2022

পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

 

পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা

০১. পদার্থবিজ্ঞান শব্দটি যে ধরণের পদ- সমাসবদ্ধ পদ।
০২. সরল দোলকের সূত্রাবলি, দূরবীক্ষণ যন্ত্র এবং তাপমান যন্ত্র আবিষ্কার করেন- গ্যালিলিও
০৩. বলবিদ্যার জনক- স্যার আইজ্যাক নিউটন।
০৪. ধাতুর ভেজাল নির্ণয়ের সূত্র আবিষ্কার করেন- আর্কিমিডিস
০৫. মহাকর্ষ সূত্র, আলোর বিচ্ছুরণ প্রভৃতি মৌলিক তত্ত্ব প্রদান করেন- বিজ্ঞানী নিউটন।
০৬. ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেন- নিউটন।
০৭. মধ্যাকর্ষণ শক্তি আবিষ্কার করেন- নিউটন।
০৮. আপেক্ষিক তত্ত্বের আবিষ্কারক- আইনস্টাইন।
০৯. আলবার্ট আইনস্টাইন যে দেশের বিজ্ঞানী- জার্মানি।
১০. ‘যে কোনো বস্তুকে শক্তিতে রূপান্তর সম্ভব’ এ মতবাদের প্রবক্তা- আইনস্টাইন।
১১. বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন- জেমস ওয়াট।
১২. বৈদ্যুতিক বাল্ব আবিষ্কার করেন- টমাস আলভা এডিসন।
১৩. টেলিফোন আবিষ্কার করেন- আলেকজেন্ডার গ্রাহাম বেল।
১৪. টেলিভিশনের আবিষ্কারক- জন এল বেয়ার্ড।
১৫. কম্পিউটার এর জনক- চার্লস ব্যাবেজ।
১৬. এক্স-রে আবিষ্কার করেন- রন্টজেন।
১৭. মাদাম কুরি ও পিয়ারে কুরি আবিষ্কার করেন- বেকরেল।
১৮. তেজস্ক্রিয়তার আবিষ্কারক- হেনরি বেকরেল।
১৯. এটম বোমার আবিষ্কারক- অটো হ্যান।
২০. পারমাণবিক বোমা তৈরি করেন- ওপেন হাইমার, ১৯৪৫ সাল।
২১. কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রতিষ্ঠাতা- ম্যাক্স প্লাঙ্ক।
২২. স্টিফেন হকিং একজন- বিখ্যাত পদার্থবীদ।
২৩. উপমহাদেরশের বিজ্ঞানীদের মধ্যে প্রথম নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন- সিভি রমন।
২৪. বিজ্ঞানে দু বার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন- ড. আবদুল্লাহ আল মুতী।

পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

Latest Job Circular In Bangladesh

গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতির ব্যবহার

০১. উচ্চতা নির্ণয় করার যন্ত্রের নাম- অলটিমিটার।
০২. সূক্ষ্ম সময় মাপার যন্ত্রকে বলা হয়- ক্রনোমিটার।
০৩. Seismograph যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়- ভূমিকম্প মাপার জন্য।
০৪. রিখটার স্কেল দিয়ে কি মাপা হয়- ভূমিকম্পের তীব্রতা।
০৫. বায়ু প্রবাহের গতিবেগ নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম- অ্যানিমোমিটার।
০৬. উড়োজাহাজের গতির নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার।
০৭. গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র হলো- ম্যানোমিটার।
০৮. তরল পদার্থের ঘনত্ব মাপার যন্ত্র- হাইড্রোমিটার।
০৯. দুধের বিশুদ্ধতা পরিমাপের যন্ত্র- ল্যাকটোমিটার।
১০. বায়ুতে আদ্রতা পরিমাপক যন্ত্রের নাম- হাইগ্রোমিটার।
১১. সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম- ফ্যাদোমিটার।
১২. শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অডিওমিটার।
১৩. মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্রে নাম- স্ফিগমোম্যানোমিটার।
১৪. জাহাজে সময় নিরূপণের জন্য ব্যবহৃত হয়- ক্রোনোমিটার।

রাশি ও পরিমাপ

০১.পদার্থবিজ্ঞানে মেট্রিক পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্য ও ভরের একক যথাক্রমে- মিটার ও কিলোগ্রাম।
০২. সিজিএস পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্য ও ভরের একক যথাক্রমে- সেন্টিমিটার ও গ্রাম।
০৩. এফ পি এস পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্য ও ভরের একক যথাক্রমে- ফুট ও পাউন্ড।
০৪. মূল্যবান পাথর ও ধাতুসামগ্রী পরিমাপ করার একক হচ্ছে- ক্যারেট।
০৫. তরল পদার্থ মাপার একক- ব্যারেল।
০৬. মেইল ও কিলোমিটারের সম্পর্ক হচ্ছে- ১ মাইল।
০৭. ১ মিটার দৈর্ঘ্যের সমান- ৩৯.৩৭ ইঞ্চি।
০৮. ১ কিলোগ্রাম ভরের সমান- ২.২১ পাউন্ড।

পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

Latest Job Circular In Bangladesh

পদার্থবিজ্ঞানে বলবিদ্যা

০১.পদার্থবিজ্ঞানে গতির গাণিতিক সূত্র আবিষ্কার করেন- নিউটন।
০২. নিউটনের গতিসূত্র- ৩টি।
০৩. ‘টু এভরি অ্যাকশন দেয়ার হ্যাজ অ্যান ইকুয়্যাল এন্ড অপজিট রিঅ্যাকশন’ এ সূত্রটি- নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র।
০৪. মহাকাশযানকে উৎক্ষেপণ করার জন্য যে নীতির ওপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয়- গতির তৃতীয় সূত্র।
০৫. একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় প্রয়োগ করে- নিউটনের তৃতীয় সূত্র।
০৬. জেট ইঞ্জিন একটি- রি-অ্যাকশন ইঞ্জিন।
০৭. সময়ের সাথে কোন বস্তুর ত্বরণের হারকে বলে- বেগ।
০৮. সময়ের সাথে অসম বেগের পরিবর্তনের হারকে বলা হয়- ত্বরণ।

মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ

০১. মহাবিশ্বের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে বলে- মহাকর্ষ।
০২. চন্দ্র ও সূর্যের মধ্যকার আকর্ষণ হলো- মহাকর্ষ।
০৩. পৃথিবী এবং মহাবিশ্বের যে কোনো বস্তুকণার মধ্যকার আকর্ষণকে বলে- অভিকর্ষ।
০৪. কোন বলের কারণে পৃথিবীর ঘূর্ণনকালীন সময়ে আমরা ছিটকে পড়িনা- অভিকর্ষ।
০৫. প্রথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হলে বস্তুর ওজন- শূন্য হয়।
০৬. অভিকর্ষ বল- বস্তুর উপর কেন্দ্রমুখী বল।
০৭. মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সূত্রের আবিলষ্কারক- নিউটন।
০৮. পাহাড়ে উঠায় বা সিঁড়ি ভাঙায় পরিশ্রম বেশি হয় কারণ- অভিকর্ষ বলের বিপরীতে কাজ করতে হয় বলে।
০৯. বস্তুর আপেক্ষিক ভর আবিষ্কার করেন- আইনস্টাইন।
১০. বায়ুমন্ডল পৃথিবীর সাথে আবর্তিত হচ্ছে- পৃথিবীর কেন্দ্রীয় আকর্ষণের আকৃষ্ট  হয়ে।
১১. কোনো নক্ষত্রের গ্রহসমূহ তার চারদিকে ঘুরে- গ্রহ ও নক্ষত্রের আকর্ষণের জন্য।
১২. কোনো বস্তুকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে যে বল- অভিকর্ষ বল।
১৩. দুটি বস্তুর মধ্যে একটি যদি পৃথিবী হয় তবে তাদের মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে বলে- অভিকর্ষ।
১৪. অভিকর্ষজ ত্বরণ ‘g’ বস্তুর ভরের উপর নির্ভশীল নয়।
১৫. অভিকর্ষজ ত্বরণ ‘g’ পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে বস্তুর দূরত্বের উপর নির্ভরশীল।
১৬. মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান- সবচেয়ে বেশি।
১৭. বিষুব অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান- সবচেয়ে কম।
১৮. মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন সবচেয়ে- বেশি।
১৯. বিষুব অঞ্চলে বস্তুর ওজন সবচেয়ে- কম।
২০. কোন বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণ শূন্য হলে- বস্তু ওজনহীন হয়।
২১. যখন কোনো বস্তুকে বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নেয়া হয় তখন তার ওজন- বাড়ে।
২২. লিফট থেকে নামার সময় লিফটে দাঁড়ানো লোকের ওজন- কমে যায়।
২৩. পৃথিবীর যেখানে বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম- নিরক্ষীয় অঞ্চলে।
২৪. পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন- শূন্য।
২৫. খনির ভেতরে বস্তুর ওজন ভূ-পৃষ্ঠের তুলনায়- কম।
২৬. কোন বস্তুর ভর ১০ কিলোগ্রাম হলে বস্তুর ওজন- ৯৮ নিউটন।
২৭. ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে উঠলে বস্তুর ওজন- কমে।
২৮. কোনো বস্তুর ভেতর পদার্থের মোট পরমাণুকে বলে- ভর।
২৯. সরল দোলকের সুতার দৈর্ঘ্য বাড়ালে দোলনকাল- বাড়বে।
৩০. কোনো স্থানে মধ্যাকর্ষজণিত ত্বরণ ৯ গুণ বাড়লে সেখানে সরলদোলকের দোলনকাল- ৩গুণ কমবে।
৩১. একটি পেন্ডুলাম ঘড়ি বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নিয়ে গেলে ঘড়িটি- ফাস্ট হবে।
৩২. কোনো বস্তুর মধ্যকার পদার্থের মোট পরিমাণ হলো- বস্তুর ভর।
৩৩. কোন বস্তুকে বা কোন বস্তুর ভরকে পৃথিবী যে বল দ্বারা তার কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে তাকে বলে- বস্তুটির ওজন।
৩৪. যত উপরে যাওয়া যায়, বস্তুর ওজন তত- কমতে থাকবে।

পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

Latest Job Circular In Bangladesh

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

০১.  কাজের অন্তর্জাতিক একক- জুল।
০২. কোন বস্তুর বা ব্যক্তির কাজ করার হারকে বলে- ক্ষমতা।
০৩. একক সময়ে ব্যক্তি বা উৎস যে কাজ করে তাকে বলে- ক্ষমতা।
০৪. ক্ষমতার একক- ওয়াট।
০৫. হর্স পাওয়ার হলো- ক্ষমতা পরিমাপের একক।
০৬. এক হর্স পাওয়ার- ৭৪৬ ওয়াট।
০৭. কোন বস্তুর কাজ করার সামর্থ্য- শক্তি।
০৮. শক্তির একক- জুল।
০৯. কোন স্থিতিশীল বস্তুর তার কাজ করার যে সামর্থ্য অর্জন করে তাকে বলে- স্থিতিশক্তি।
১০. কোন গতিশীল বস্তুর তার গতির জন্য কাজ করার যে সামর্থ্য অর্জন করে তাকে বলে-গতিশক্তি।
১১. পৃথিবীর শক্তির প্রধান উৎস- সূর্য।
১২. নবায়নযোগ্য শক্তি উৎসের একটি  উদহারণ হলো- সূর্য।
১৩. পানিপ্রবাহ বা স্রোতকে কাজে লাগিয়ে উৎপন্ন করা হয়- জল বিদ্যুৎ।
১৪. বৈদ্যতিক ঘন্টায় বিদ্যুৎ শক্তি রূপান্তরিত হয়- শব্দ শক্তিতে।
১৫. যান্ত্রিকশক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়- হাতে হাত ঘষলে।
১৬. ফটোগ্রাফিক কাগজে আলো পড়লে শক্তির যে ধরনের পরিবর্তন হয়- আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
১৭. বৈদ্যতিক মিটারে তড়িৎশক্তি রূপান্তরিত হয়- তাপশক্তিতে।
১৮. বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি চলার সময় শক্তির যে পরিবর্তন হয়- বিদ্যুৎ শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

 

 

পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

Latest Job Circular In Bangladesh

চলমান সকল সরকারি চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 

Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *